বিনইয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও শাস্তির দাবীতে বিক্ষোভ ইসরাইলিদের

আবারো সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইসরাইল।শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে জেরুজালেমে তার বাসভবনের সামনে জড়ো হন কয়েক হাজার মানুষ।
এদিকে, বিক্ষোভের জন্য বামপন্থিদের দায়ী কোরে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ তুলেছে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি।
শনিবার রাতে জেরুজেলেমে প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনের সামনে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ। ধীর ধীরে এ বিক্ষোভ জনসমুদ্রে রূপ নেয়। স্লোগানে প্রকম্পিত হয় চারপাশ।
নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থতা, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুল তার পদত্যাগ দাবিতে গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ করে আসছেন ইসরাইলের সাধারণ মানুষ। মাঝখানে কয়েক দিন বিক্ষোভ বন্ধ থাকলেও শনিবার আবারো গর্জে উঠে ইসরাইলিরা। এসময় নেতানিয়াহুকে একজন অপরাধী আখ্যা দিয়ে তার শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন বিক্ষোভকারীরা।
এক বিক্ষোভকারী বলেন, ইসরাইলের ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমি এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছে। চারদিকে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। ইসরাইলে প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ বেকার হয়ে পড়ছেন। কাজ নেই, অর্থ নেই। আজকে আমি নিজেই কর্মহীন। তাই বাধ্য হয়েই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি।
আরেক বিক্ষোভকারী বলেন, নেতানিয়াহু একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তিনি একজন দুর্নীতিবাজ। নেতানিয়াহু তার নিজের স্বার্থে জনগণকে ব্যবহার করেছেন। তিনি একজন স্বৈরচারী শাসক।
দুই দফা নির্বাচনেও একক সংখ্যাগোরিষ্ঠতা না পাওয়ায় চলতি বছরের মে মাসে সমঝোতার ভিত্তিতে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন নেতানিয়াহু।
ক্ষমতা গ্রহণের পরই ইসরাইলে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়লে লকডাউন ঘোষণা দেয়া হয়। এতে বেকারত্বের হার এক লাফে ২১ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে যায়। অর্থনৈতিক সঙ্কট, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ হলেও এর জন্য বামপন্থীদের দায়ী করে ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টি। বিক্ষোভকে উসকে দেয়ার অভিযোগে একটি বেসরকারি টেলিভিশন বন্ধের দাবি জানিয়েছে দলটি।

No comments

Theme images by PLAINVIEW. Powered by Blogger.