Header Ads

মাদখালীদের স্বপ্ন পুরন হওয়ার পথে!

বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের ফাসিঁ হয়েছে বায়বীয় অভিযোগে, তিন মাইল দুর থেকে স্বচক্ষে (!) দেখা স্বাক্ষি সবুতের মাধ্যমে। অন্যদিকে কথিত বিক্ষোভের অযুহাতে মিসরের বৃহত্তর ইসলামী আন্দোলন ইখওয়ান মুসলিমিনের ৭৫ নেতাকে ফাসিঁতে ঝুলিয়ে হত্যর আদেশ দিয়েছে সহিহ তরিকার শাষক সিসির পোষ্য আদালত। . অবাক করার বিষয় কি জানেন। এসব মাদখালীদের সহিহ, বিশুদ্ধ ইসলাম কেবল ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের কাজের প্রতিবন্ধকতা তৈরির জন্য লেআউট করা হয়েছে। ওদের সহিহ বিশুদ্ধ ইসলাম জালেম, ফাসেক শাষকের জন্যও নিখাদ আনুগত্যের বেড়ি তৈরি করে কিন্তু আল্লাহর গোলামদের পান থেকে চুন খসে পড়লে তাকফির আর দ্বীন বিচ্যুতির ফতোয়ার আক্রমনে ক্ষতবিক্ষত হতে হয়। . বাংলাদেশের ইসলামী আন্দোলনের দুজন নেতা সৎ নেতৃত্বে ফায়দার দৃশ্যমান উদাহারন আর ওলামাদের দেশ চালানোর যোগ্যতা ডেমো প্রদর্শন করার নিয়তে যখন বি এন সরকারের দুটি গুরুত্ব্যপুর্ণ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব্য গ্রহণ করলো তখন ঐসব মাদখালীদের গাত্রদাহ শুর হয়ে গেলো। কেনো বেভারেজ টাইপের পানীয়তে মাত্রার বাইরে এলকোহল পাওয়া যাচ্ছে, এগুলো কিভাবে শিল্পমন্ত্রনালয় অনুমোদন দিলে তা নিয়ে মাওলানা নিজামীর (র) বিরুদ্ধে সীমাহিন বিষেদাঘার শুরু করে দিয়েছিলো। কিন্তু এখন যখন দরবেশ বাবারা তাদের উপদেষ্টা হওয়ার পরেও মদ, পতিতার অবাধ লাইসেন্স দিচ্ছে, তখন তাদের ফতোয়াবাজী চুপশে গেছে। . মিশরে ইখওয়ানুল মুসলিমিন কেন শরীয়াতের প্রানস্বত্তার পুর্ণাঙ্গ প্রতিষ্টা করছে না, কেন এই করছে না সেই করছে বলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রপাগান্ডা চালালো। এক পর্যায়ে মাদখালীদের পেট্টডলারের তাপে মুরসী বিরোধী বিক্ষোভের নেতৃত্বও দিলো। . মুরসিকে সরিয়ে ক্ষশতায় বসালো সিসি কে। সেই সিসি নিজে কতটুকে ইসলাম মানে, কতটুকো ইসলাম কায়েম করেছে তার হিসেব নেওয়ার মতো মেরুদন্ড থেকে আল্লাহ পাক ঐসব মাদখালীদের বঞ্চিত করেছেন। . খেয়াল করুন, ইখওয়ানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার সময় শাষকের সাথে বিদ্রোহ করার জায়েজ নয়, ফতোয়া ডিপ ফ্রিজে ছিলো। বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের বে্আইনি ভাবে হত্যার সময় তাদের উপদেষ্টারা মিষ্টি বিতরণ করেছিলেন কোন তরিকার বলে সেটা আজো অব্দি জানা যায়নি। . জানার কোন সুযোগও নেই। কারন জালেমের সহযোগী এসব ভদ্রলোকরা নিজেদের এতটা সহিহ মনে করে যে, আসল সত্য চোখের কোনে ভেসে উঠলেও দেখার সৌভাগ্য হয় না। . পৃথিবীর যেখানে যত অনাচার হচ্ছে, জুলুম আর জালিমকে ধর্মের ছদ্মাবরনে যতটা সাহায্য করার ইতিহাস চোেখে পড়ে তার সব কিছুতেই এসব জাহেল মাদখালীদের অস্বিত্ত, নেতৃত্ব বিরাজমান রয়েছে। মনে হচ্ছে জালিমের পক্ষাবলম্বন করে ইসলামের চিরন্তন শত্রুদের পদলেহন করার জন্যই এসব তরিকার প্রচলন ঘটানো হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনকে বিনষ্ট করে ফেরাউনের অনুশারীদের মুসলিম নাম ধরিয়ে দিয়ে তাদের আনুগত্যের মাধ্যমে কিছু পেট্রডলার কামানোর যে স্বপ্ন তারা দেখছে তা পুরন হওয়ার পথে। অবশ্য এই বেচা কেনা তাদের জন্য আখেরাতে ভয়ংকর পরিণতি টেনে আনবে ইনশায়াল্লাহ। Courtesy: Apu Ahmed

No comments

Theme images by PLAINVIEW. Powered by Blogger.