Header Ads

ইরানের বিপ্লবী সরকারের টিকে থাকার সবচে' বড় এনার্জি কি?




ইরানের বিপ্লবী সরকারের টিকে থাকার সবচে' বড় এনার্জি কি? "ফিলিস্তীন জিন্দাবাদ", "আমেরিকা নিপাত যাক", "ইসরাইল নিপাত যাক"। তারপর রেইনবো কাসেম সুলাইমানীর 'কুদস ব্রিগেড"। গতকাল তেহরানের রাস্তায় যখন সরকার বিরোধী তুমুল মিছিল হচ্ছিল তখন সবার শ্লোগান একটাই -- "ফিলিস্তীন নিপাত যাক"। চমকে উঠার দরকার নাই। কমেন্টে লিংক থাকবে। কিছু দিন আগেও সেখানে আন্দোলনের সময় নারীরা সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃনা প্রকাশের সবচে বড় হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিল নেকাব/হিজাব খুলে ছুঁড়ে ফেলাকে। রাশিয়া বিশ্বকাপ দেখতে যাওয়া ইরানী এক নারী সমর্থকের ভাইরাল হওয়া ছবিও একটি উদাহরণ। কেবল ইরান নয়; সৌদি আরব এবং আইএস শাসিত স্বল্প কালের ইসলামী খেলাফতেরও একই অবস্থা। মসুলসহ অন্যান্য শহর থেকে আইএস যোদ্ধারা সরে আসার পরপরই সেখানে দাড়ি সেভ করা আর নেকাব ছেড়ে খোলা চুলে বের হওয়ার হিড়িক পড়েছিল। পশ্চিমে গিয়ে সৌদি নারীরা কি জঘন্য কাজে লিপ্ত হয় তার সংবাদ প্রায়ই মিডিয়ায় আসে। বর্তমান সৌদি আরবের অবস্থা দেখলেই তা বুঝা যায়। রাগেব আলামাহ্, তামের হোসনীর কনসার্টে সৌদি নারীরা কী পরিমান আধুনিকতা দেখিয়েছে তা দেখতে ইউটিউব করতে পারেন।

তো, উদাহরণ দীর্ঘ করা উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য হচ্ছে -- ইসলাম চাপিয়ে দেয়ার বিষয় নয়। আত্মশুদ্ধির বিষয়। আখলাকের বিষয়। ভেতরে বাহিরে আমল দ্বারা সজ্জিত করার বিষয়। আগে সমাজ নির্মান করতে হবে। এমন সমাজ যার সদস্যরা নিজেরাই ইসলামী শাসনের রক্ষক হবে। ইসলামী শাসনকে জুলুম মনে করবে না। নাহলে পরিনতি ইরান সৌদি আর আইএসের দুই দিনের খেলাফতের মতোই হবে। ইসলামের তরিকাও এটাই।

অমুক এটা করছে না, সেটা করছে না - না বলে ভাবা উচিত, তাদের করার সামর্থ্য কতটুকু আছে? তাদের জনগন কি এখনও সেই পর্যায়ে গিয়েছে যে, একটা আইন পাশ করে দিলেই মেনে নিবে? বা আইন পাশ করার সামর্থ্যও কি আছে? তবুও, সেসব সমাজে, দেশে, মুসলিম বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বেশি দরদ দেখানো হয়। আকসার জন্য সবচে বেশি প্রতিবাদী সেখানেই হয়।
.
#Mohammad Noman

No comments

Theme images by PLAINVIEW. Powered by Blogger.